প্রকৃত পক্ষে পবিত্র কুরআন মাজীদকে কোন কিছুর সাথে তুলনা দেয়া সম্ভব নয়। মানব জাতির জন্য আল-কুরআন এক মহা বিস্ময়, মহা পুরস্কার। তথাপিও আমরা আল-কুরআনকে মহা সমুদ্র আর এর আয়াতসমূহকে মুক্তার সাথে সাধারণ অর্থে তুলনা করেছি। পবিত্র কুরআনের মহা সমুদ্র থেকে হাজারো মুক্তার মধ্যে গুটি কয়েক মুক্তা কুড়িয়েছি। তার অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে পবিত্র কুরআনমুখী হওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানোই মূলত এ বইয়ের উদ্দেশ্য।তাফসীর করার কোন যোগ্যতা আমার নেই। তাফসীর করতে বসেছি– এমন অভিযোগ থেকে আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আমার লেখার মূল উদ্দেশ্য– আমরা যেন সবাই কুরআনমুখী হই। কুরআন মানব জীবনের আয়নাস্বরূপ। কুরআনের একটি আয়াত থেকে আমরা হাজারো শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি। কারণ, কুরআন বিস্ময়কর একটি জীবন্ত গ্রন্থ। কেবল কুরআন সুন্নাহ-ই আমাদের নিয়ে যাবে চিরস্থায়ী জান্নাতের ঠিকানায়। এই বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দু’আ করছি। বিশেষ করে মাদ্রাসা দারুল ইহসানের সিনিয়র টিচার মো: ছায়েম ভূইয়া স্যার এর জন্য। যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে বইটির প্রুভ দেখে কারেকশনে সহযোগিতা করেছেন। আর ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরীর স্বত্বাধিকারী শাইখ আব্দুল ওয়াহীদ বিন ইউনুস ভাইকে। যিনি আমার মতো নগন্য লেখকসহ দেশ-বিদেশের বিজ্ঞ আলেমদের বই প্রকাশ করে চলেছেন। আল্লাহ সবাইকে সদকায়ে জারিয়ার নেকি দান করুন। আমীন।